পরিচিতি
মো. সিদ্দিক হাসান একজন এইচআর ও বিজনেস অপারেশনস ম্যানেজার এবং লেখক। উচ্চশিক্ষা নিয়েছেন উদ্ভিদবিজ্ঞানে।
শুরুর কথা
বেড়ে উঠেছি বাংলাদেশের এক গ্রামে, মাঠ আর গাছপালার মাঝে। প্রকৃতি নিয়ে কৌতূহলের শুরু সেখানেই, আর সেই কৌতূহলই আমাকে নিয়ে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে। এই বিভাগ থেকেই বিএস ও এমএস সম্পন্ন করেছি, আর তিন বছর প্ল্যান্ট ট্যাক্সোনমি, এথনোবোটানি, হার্বাল মেডিসিন অ্যান্ড কনজারভেশন বায়োলজি ল্যাবরেটরিতে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছি। আমার থিসিসের বিষয় ছিল অ্যানাকার্ডিয়েসি গোত্রের ট্যাক্সোনমি ও মরফোমেট্রিকস, সেই সঙ্গে স্ট্রাকচার-বেসড ড্রাগ ডিজাইনের মাধ্যমে ক্যানসারের ওষুধ উদ্ভাবনে এই গোত্রের সম্ভাবনা। এই গবেষণা থেকে সাতটি পিয়ার-রিভিউড পেপার প্রকাশিত হয়েছে, যার কয়েকটি ছাপা হয়েছে Scientific Reports ও Medical Oncology-র মতো জার্নালে। এ কাজের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এনএসটি ফেলোশিপও পেয়েছি।
বর্তমান কর্মজীবন
২০২৪ সালে গবেষণাগার থেকে এইচআর ও অপারেশনসের কাজে আসি। সিলিকন অর্চার্ড লিমিটেডের এইচআর ম্যানেজার হিসেবে পুরো এমপ্লয়ি লাইফসাইকেল, এইচআর পলিসি, কমপ্লায়েন্স আর অফিস অপারেশনস দেখভাল করি। ঢাকা টেকনোলজিস লিমিটেড কোম্পানির বিজনেস অপারেশনস ম্যানেজার হিসেবে কাজ করি টিম, প্রসেস ও ক্লায়েন্ট পার্টনারশিপ নিয়ে। গবেষণা আমাকে শিখিয়েছে তথ্য-প্রমাণ সাবধানে বিচার করতে, আর ম্যানেজমেন্ট শিখিয়েছে মানুষের সঙ্গে যত্ন নিয়ে কাজ করতে। প্রতিটি সিদ্ধান্তে এই দুই শিক্ষাই সঙ্গে রাখার চেষ্টা করি।
গবেষণা আমাকে শিখিয়েছে তথ্য-প্রমাণ সাবধানে বিচার করতে, আর ম্যানেজমেন্ট শিখিয়েছে মানুষের সঙ্গে যত্ন নিয়ে কাজ করতে।
কাজের বাইরে
দুটি বই লিখেছি: Plantae ও স্বদেশি বৃক্ষ। গাছপালার ছবি তুলি, আর আমার ইউটিউব চ্যানেল লার্নিং ফ্রম নেচারে প্রকৃতি নিয়ে ছোট ছোট ভিডিও শেয়ার করি। প্ল্যান্টলেটে এখনো উদ্ভিদবিজ্ঞান নিয়ে লিখি। ভবিষ্যতে উদ্ভিদবিজ্ঞানে উচ্চতর গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে।
অনুষ্ঠান আয়োজকদের জন্য সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
অনুষ্ঠান আয়োজক, প্রকাশক ও জার্নালের ব্যবহারের জন্য। অনুগ্রহ করে লেখাটি হুবহু ব্যবহার করুন।
মো. সিদ্দিক হাসান সিলিকন অর্চার্ড লিমিটেডের এইচআর বিভাগ এবং ঢাকা টেকনোলজিস লিমিটেড কোম্পানির বিজনেস অপারেশনসের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ক্রমবর্ধমান টেকনোলজি টিমগুলোর জন্য তিনি রিক্রুটমেন্ট, এইচআর পলিসি, কমপ্লায়েন্স ও দৈনন্দিন অপারেশনস নিয়ে কাজ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি উদ্ভিদবিজ্ঞানে বিএস ও এমএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্ল্যান্ট ট্যাক্সোনমি, এথনোবোটানি, হার্বাল মেডিসিন অ্যান্ড কনজারভেশন বায়োলজি ল্যাবরেটরিতে তিন বছর রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন। প্ল্যান্ট ট্যাক্সোনমি, মরফোমেট্রিকস ও কম্পিউটার-এইডেড ড্রাগ ডিজাইন বিষয়ে তাঁর গবেষণা Scientific Reports ও Medical Oncology-সহ বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৩–২৪ মেয়াদে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এনএসটি ফেলোশিপ পান। তিনি Plantae ও স্বদেশি বৃক্ষ বই দুটির লেখক। ভলান্টিয়ার হিসেবে তিনি আইইউসিএনে ইকোলজিক্যাল এক্সপার্টের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ইউএস ফরেস্ট সার্ভিস ও ইউএসএআইডির সঙ্গে কাজ করেছেন। এ ছাড়া রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ঢাকা প্যারাগনের এডিটর ও ট্রেজারার ছিলেন। তিনি ঢাকায় থাকেন।

